“শূন্য ছিলো বঙ্গ ভূমি রাখাল রাজার স্বাধীন আজ জন্মভূমি(বাংলাদেশ)”

“বাংলাদেশ” মানে স্বদেশ প্রেমের প্রকৃত বাস্তবতা।ভালোবাসার ক্ষমতা এতো বেশি যে, যেই কোন বুলেট বোমা আর মরন অস্ত্র ভালোবাসার কাছে হার মানতে বাধ্য।

কারন মানুষ আল্লাহ্’র সেরা সৃষ্টি এবং ভালোবাসা মানুষের জন্য আল্লাহ্ প্রদত্ত বিশেষ উপহার।তাই একমাত্র ভালোবাসা দিয়ে মানুষ সহজে জীবনের সফলতার রাস্তায় পৌছাতে পারে।

পৃথীবির বসত ভিটার ভূমিতে যখন দেশের নাম  “বাংলাদেশ” ছিল না তখন বাংলাদেশী হিসেবে কেউ নিজেকে পরিচয় দিতে পারতো না।

এক রাখাল বালক যৌবনের প্রকৃত ভালোবাসার জাগরনি শক্তি জন্মভূমির জন্য কাজে লাগিয়ে ১৯৭১ সালে পৃথীবিতে নতুন দেশের নামকরন করেন।

প্রতিষ্ঠিত করেন লাল সবুজ পতাকাবাহী স্বাধীনতা অর্জনকারী সোনার “বাংলাদেশ”।

নিজ জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা থাকলে ভয়কে জয় করতে বেশি কিছু লাগে না।

আমরা বর্তমান প্রজন্ম এখন নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচয় দিতে পারি । ১৯৭১ সালের আগে কেহ আমাদের মতো বাংলাদেশী হিসেবে নিজেদের পরিচয়  দিতে পারতো না।

“বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠিত হতে — লড়াই,সংগ্রাম, এবং বহু রাখালের জীবন,তাজা রক্ত,মা-বোনের ইজ্জত আর অত্যাচারে নির্যাতিত হতে হয়েছিলো।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাখালেরা (৯) নয় মাস যুদ্ধ করে -জয় বাংলা স্লো গানে জয় “বঙ্গবন্ধু” বলে স্বাধীনতার পতাকা নিয়ে সোনার মাতৃভূমিকে স্বাধীন করে পৃথীবিতে নতুন যেই স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠিত করেন তার নাম “বাংলাদেশ”।

যেই রাখাল যৌবনের ভালোবাসার  প্রকৃত বিকাশ জন্মভূমিকে ভালোবেসে মাটি ও মানুষের কল্যানে  লাগিয়ে সকল অন্যায় আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতেন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত নায়ক ও বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা । তিনি রাখাল থেকে রাজা হয়েছেন, রাখাল থেকে “বঙ্গবন্ধু” হয়েছেন। বাংলার মানুষ রাখাল রাজাকে এতোটাই ভালোবাসতেন।

রাখাল থেকে রাজা হলেন সোনার বাংলার একজনই,

বাংলার মাটি ও মানুষের বন্ধু রাখাল রাজা তুমিই।

“বাংলাদেশ” স্বদেশ প্রেমের বাস্তব প্রমান,

তুমি রাখাল রাজা বাংলার শেখ মুজিবর রহমান।

Published by pyeye.

Powered by wordpress.

 

Advertisements